Sunday, March 27, 2016

মধু ও দুধ একসঙ্গে খেলে কী হয়

বিভিন্ন রোগ নিরাময়কারী হিসেবে বহুকাল আগে থেকেই দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাওয়ার প্রচলন চলে আসছে। মধুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাংগাল উপাদান। দুধের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, বি, ডি। রয়েছে ক্যালসিয়াম, প্রাণিজ প্রোটিন ও ল্যাকটিক অ্যাসিড। দুধ ও মধু যখন একসঙ্গে মেশানো হয়, এটি আরো স্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে। লাইফস্টাইল ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে, দুধের মধ্যে মধু মিশিয়ে খাওয়ার উপকারিতার কথা।

মানসিক চাপ কমায়ঃ গরম দুধ ও মধু একসঙ্গে খেলে স্নায়ুর ওপর ভালো প্রভাব ফেলে। এটি মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। মানসিক চাপ বেশি থাকলে দিনে দুবার এই মিশ্রণ খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

  ঘুম ভালো করেঃ দুধের মধ্যে মধু মিশিয়ে ঘুমের এক ঘণ্টা আগে খেলে এটি মস্তিষ্কের ওপর ভালো প্রভাব ফেলে। মধু মস্তিষ্ককে শিথিল করে এবং ভালো ঘুমে সাহায্য করে।

  হজম ভালো করেঃ পেট ফোলা ভাব বা হজমের সমস্যা হলে গরম দুধ ও মধুর মিশ্রণ খেয়ে দেখতে পারেন। এটি পাকস্থলী থেকে গ্যাস বের করে দিতে সাহায্য করে এবং পেট ব্যথা কমায়।

  হাড়ের জন্য ভালোঃ দুধের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম। আর মধুর মধ্যে রয়েছে রোগ নিরাময়কারী উপাদান। তাই দুধ ও মধুর মিশ্রণ হাড়ের জন্যও ভালো। এটি হাড়কে শক্তিশালী করে এবং ক্ষয়রোধে সাহায্য করে।

  শক্তি বাড়ায়ঃ সকালবেলা গরম দুধের মধ্যে মধু মিশিয়ে খেলে কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং সারা দিন শরীরের শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।

  পাকস্থলীর সংক্রমণের সঙ্গে লড়াইঃ মধুর মধ্যে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান পাকস্থলীর সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করে। তাই পাকস্থলী ভালো রাখতে এই মিশ্রণ খেতে পারেন। তারুণ্য ধরে রাখেঃ মধু ও দুধের মিশ্রণ খাওয়া বার্ধক্যের আগমনকে ধীর করে। তারুণ্য ধরে রাখার জন্য এই খাবার শতবর্ষ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

  মনোযোগ বাড়ায়ঃ মধু মস্তিষ্কে ভালো প্রভাব ফেলে। আর দুধ মস্তিষ্ককে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। দুধ ও মধুর মিশ্রণটি মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে।

পেয়ারা পাতা রুখবে চুল পড়া

আপেলের সমান উপকারী পেয়ারাটি শুধু যে স্বাস্থ্যই ঠিক রাখে তা নয়, চুল পড়া রুখতেও কিন্তু এর জুড়ি মেলা ভার। বিশেষজ্ঞদের মতে, পেয়ারা পাতার রস করে চুলে লাগালে চুল পড়া তো কমবেই এবং চুল ঝকঝকে ও মসৃণ হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পেয়ারা পাতা ভিটামিন ‘বি’ এবং মিনারেলে ভরপুর। ভিটামিন ‘বি’ চুলকে স্বাস্থ্যকর বানায়। আর এতে থাকা ভিটামিন বি-২ নষ্ট হয়ে যাওয়া হেয়ার রুটের কোষ মেরামত করে চুলকে মসৃণ করে তোলে। তবে পেয়ারা পাতার রস সরাসরি চুলের গোড়ায় না দেয়াই ভালো। অনেক পরিষ্কার পেয়ারা পাতা নিয়ে এক লিটার পানিতে ফুটিয়ে নিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট সেই পানি ফুটতে দিন। এতে পেয়ারা পাতার সব গুণাগুণ পানিতে চলে আসবে। পরে ঠাণ্ডা করে পানি ছেঁকে একটা শিশিতে ভরে রাখতে পারেন। রোজ স্নানের কিছু আগে চুলের গোড়া এবং পুরো চুলে ভালো করে লাগিয়ে নিন। কয়েক মাসের মধ্যে নিজেই পার্থক্য বুঝবেন।

Saturday, March 26, 2016

A অক্ষরে নির্বাচিত সেরা কিছু নাম বাংলা অর্থ সহ

আমাদের নামের সাইট ইসলামিক নাম বা অর্থ জানতে চলে আসুন , এখানে ক্লিক করুন www.islamnames.info


 ১। আদ্বীন = বাধ্য ।
 ২। আফা = ক্ষমাশীল ।
 ৩। আহিল = রাজপূত্র ।
 ৪। আলী = উচ্চ ।
 ৫। আমিল = কারিগর ।
 ৬। আরিজ = নেতা ।
 ৭। আছাল = বাস্তব ।
 ৮ । আশিক = প্রেমিক ।
 ৯। আছিম = অভিভাবক ।
 ১০। আবহাত = নির্ভুল ।

Thursday, March 24, 2016

মাত্র এক দিনেই কাশি সারাবে পেঁয়াজ দেখুন ব্যবহার পদ্ধতি

মাত্র একদিনেই কাশি সারিয়ে তোলা সম্ভব পেঁয়াজ ব্যবহার করে। সর্দিতেও পেঁয়াজ ব্যবহার করে ভালো ফল পাওয়া যায়। সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায় কাঁচা ব্যবহারে। গবেষকরা জানান, পেঁয়াজের মধ্যে সালফার ও ফ্লাভোনয়েড নামক উপাদান থাকে। এসব উপাদান হৃদরোগে ভালো ফল দেয়। এ ছাড়া বাতরোগ উপশম এবং ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতেও এসব উপাদান ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া রোগ প্রতিরোধেও পেঁয়াজ কার্যকর।
  ১.উপাদান : এক কেজি পেঁয়াজ তিন লিটার পানি তৈরির পদ্ধতি পেঁয়াজের ওপরের খোলস ও দুই পাশ পরিষ্কার করুন। প্রতিটি পেঁয়াজ চার টুকরো করুন। কাটা পেঁয়াজ একটি পাত্রের মধ্যে নিয়ে তিন লিটার পানি দিন। পাত্রটি চুলায় নিয়ে উত্তপ্ত করুন।পানি অর্ধেক না হওয়া পর্যন্ত জ্বাল দিতে থাকুন। আগুন থেকে নামিয়ে মিশ্রণটি ঠান্ডা হতে দিন। কয়েকবার নেড়ে দিন। স্বাদের জন্য এর মধ্যে মধু বা লেবুর রস দেওয়া যেতে পারে। ব্যবহারবিধি – দিনে দুবার দেড় গ্লাস করে পান করুন।
  ২. উপাদান – দুটি মাঝারি আকৃতির অর্গানিক আপেল দুটি মাঝারি আকৃতির পেঁয়াজ ১৪টি আখরোট (বাদাম)

  প্রস্তুত প্রণালি – পেঁয়াজ ধুয়ে পরিষ্কার করুন। প্রতিটি পেঁয়াজ চার টুকরোয় ভাগ করুন। আপেলও ধুয়ে চার টুকরোয় ভাগ করুন। আখরোট ভেঙে নিন। একটি পাত্রে সব উপাদান নিয়ে পানি দিন। পাত্রটিকে চুলোর আগুনের ওপর দিন। পানি অর্ধেক না হওয়া পর্যন্ত চুলায় রাখুন। পরে নামিয়ে ঠান্ডা করুন। স্বাদের জন্য মধু বা লেবুর রস দিতে পারেন। ব্যবহারবিধি – দিনে তিনবার এক কাপ করে সেবন করুন।

হাতের পেশী কিভাবে বাড়ানো বা মোটা করা যায়?

প্রচুর ক্যালরী সমৃদ্দ খাবার গ্রহন করুন নিয়মিত। সেই সাথে হাতের ব্যায়াম করার জন্য ডাম্বেল ব্যবহার করতে পারেন। সকালে খালি পেটে কাচাছোলা খাবেন প্রতিদিন। দেহে পরিমিত খাদ্য গ্রহনের পাশাপাশি নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের ব্যায়ামে অভ্যস্ত হওয়ার চেষ্টা করুন। ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে কিনা সেটাও খেয়াল রাখুন। পুষ্টিকর খাদ্য, সঠিক নিয়মে প্রতিদিন ব্যায়াম, পরিমিত ঘুম এই তিনটি বিষয় ঠিকমতো মেইনটেইন করতে পারলে দেহকে যেকোন শেপে গড়ে তোলা সম্ভব। আরো ভালো হয় কোন অভিজ্ঞ জিম ইন্সট্রাক্টর থেকে পরামর্শ নিয়ে সে মোতাবেক কাজ করলে। সকলেই সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চান। সুস্বাস্থ্যের ব্যাপারটা নারী পুরুষ ভেদে একটু আলাদা । এই ভিন্নতার কারন হচ্ছে সুস্বাস্থ্যের সংজ্ঞা একেক জনের কাছে এক এক রকম। মেয়েদের ক্ষেত্রে মেদহীন ছিপছিপে গড়নের দেহকে সুস্বাস্থ্য মনে করা হয়। আর পুরুষদের ক্ষেত্রে মেদহীন পেশী বহুল দেহকে সুস্বাস্থ্য হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু প্রকৃত সুস্বাস্থ্যের অধিকারী বলতে মানসিক ও শারিরীক ভাবে রোগমুক্ত,কর্মোদ্দ্যমী, প্রচুর প্রানশক্তি সম্পন্ন ব্যাক্তিকে বুঝায়। আপনার পেশী বহুল দেহ আছে কিন্তু সে তুলনায় প্রানশক্তি বা স্ট্যামিনা, ভারসাম্যতা, নমনীয়তা এগুলো অনেক কম তাহলে আপনাকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী বলা যাবে না। যেসকল তরুন সুন্দর পেশী বহুল দেহের পাশাপাশি সুস্বাস্থ্যের সব গুলি বৈশিষ্ট্য ধারন করতে চান তাদের জন্য কতগুলি চমৎকার ব্যায়ামের বিস্তারিত এখানে আলোচনা করা হল। এই ব্যায়ামটি রক্ত সঞ্চালন এবং দ্রুত চর্বি পোড়ানোর ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর। পাশাপাশি পরবর্তী ব্যায়াম গুলোর জন্য আপনার শরীরকে প্রস্তুত করতে সাহায্য করবে। সেজন্য একে “অ্যাকটিভ ওয়ার্ম আপ” ও বলা হয়। আপনার শরীরের বৃহৎ পেশীগুলোকে মজবুত করবে। সেই সাথে ব্যালেন্স , স্ট্যাবিলিটি এবং ফেক্সিবিলিটিও উন্নত করবে। কিভাবে করবেন – এই ব্যায়ামটির জন্য প্রয়োজন প্রচুর ভারসাম্য শক্তি। শুরুতে আপনার ব্যালেন্সের সমস্যা হবে। তাই আপনি প্রথম প্রথম দেয়ালের কাছে প্রায় পিঠ ঘেঁষে দাঁড়িয়ে ব্যায়ামটি চর্চা করতে পারেন। সোজা হয়ে দাঁড়ান। এরপর এক পায়ে দাঁড়িয়ে অন্য পা’টিকে সোজা রেখে যথাসম্ভব উপরের দিকে তুলুন (১)। তারপর অন্য পায়ের উপর ভর করে ধীরে ধীরে নিচে বসতে থাকুন যতক্ষন না পর্যন্ত আপনার নিতম্ব পায়ের গোড়ালী স্পর্শ না করছে (২)। এরপর এক পায়ে ভর দিয়ে আবার সোজা হয়ে দাঁড়ান। আপনার চেষ্টা থাকবে যেন দেয়ালের সাথে আপনার শরীরের স্পর্শ কম হয়। নিয়মিত চর্চা করলে প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যেই আপনি কোন কিছুর সাহায্য ছাড়াই এই ব্যায়ামটি করতে পারবেন। ব্যায়ামটি তিনটি সেটে করুন। প্রথম ও দ্বিতীয় সেটে ১৪ বার করুন। তৃতীয় সেটে ১২ বার করুন। প্রতি সেটের মাঝে ৩০ সেকেন্ড বিশ্রাম নিন। থ্রী পয়েন্ট বার্পি জ্যাকনাইফ কেন করবেন:- এর সাইড টু সাইড মুভমেন্ট আর কিছুটা ঘূর্ণনের কারনে পেটের ভালো ব্যায়াম হবে এবং হাঁটুর শক্তি বৃদ্ধি পাবে । পাশাপাশি লাফানোর কারনে কার্ডিও ফিটনেসও বৃদ্ধি পাবে। কিভাবে করবেন – প্রেস আপ পজিশন নিন (১)। হাত দুটোকে ফ্লোরে রেখে এক লাফে পা দুটোকে আপনার হাতের ডানদিকে বুকের কাছে আনুন। যখন আপনার পা মেঝেতে এসে নামবে তখনই সোজা উপরের দিকে লাফ দিয়ে শুন্যে উঠে যান (২)। আবার যখন মেঝেতে পা ফেলবেন তখন পা দুটি সোজা করে প্রেস আপ পজিশনে ফিরে যান। এবার একই ভাবে বাম দিক থেকে করুন (৩)। এভাবে বার বার করুন। প্রথম ১০বার করার পরে একটু ব্যাথা হতে পারে কিন্তু পরে ঠিক হয়ে যাবে। তিনটি সেটের মধ্যে প্রথম দুই সেটে ২০বার করুন। তৃতীয় সেটে ১৬বার করুন। প্রতি সেটের মাঝে ৩০সেকেন্ড বিশ্রাম নিন। এর মুভ গুলোতে শরীরের উপরের অংশে ব্যায়াম হয় যা বারবেলের মত সমান কার্যকর। কাঁধ আর বাহুতেও কাজ করে। কিভাবে করবেন – প্রথমে দেয়ালের কাছাকাছি পেছন ফিরে সোজা হয়ে দাঁড়ান। তারপরে হাত দুটিকে কাঁধের দু’ পাশে মেঝেতে রাখুন। এবার দু’হাতে ভর করে দেয়াল বেয়ে পা দুটোকে উপরে তুলুন ৭০ ডিগ্রী পযর্ন্ত। এই অবস্থায় ছোট ছোট পদক্ষেপে হাত ও পা দিয়ে পার্শ্ব বরাবর হাঁটুন। একটি নির্দিষ্ট দুরত্ব পর্যন্ত এগিয়ে যান এবং আবার আগের জায়গায় ফিরে আসুন। তিনটি সেটে ব্যায়ামটি করতে হবে। তিনবার করার পর অল্প কিছুক্ষন লাফাতে হবে পরবর্তী ব্যায়ামটি করার জন্য। পায়ের পেশীর জন্য এটি একটি চমৎকার ব্যায়াম। তাছাড়া পায়ের পেশীতে অতিরিক্ত ক্যালরী পোড়ানোর ক্ষেত্রে বেশ কার্যকর। কিভাবে – দু’ পা ফাঁক করে সোজা হয়ে দাঁড়ান। এবার ধীরে ধীরে নিচের দিকে ঝুঁকে পড়ুন। লাফ দিয়ে আপনাকে সামনে গিয়ে পড়তে হবে। তাই লাফ দিয়ে আপনার সর্বোচ্চ উঁচুতে উঠতে যতটুকু নিচে নামতে হবে ঠিক ততটুকুই নিচে দিকে নামুন। ব্যায়ামটি ভালভাবে করার জন্য আপনার হাত দুটোকে সামনের দিকে তুলে দিন। যতটুকু নিচে ঝুঁকে লাফ দিয়ে উপড়ে ছিলেন ঠিক ততটুকু নিচে ঝুঁকে লাফিয়ে পড়ুন। এবার ঘুরে দাঁড়িয়ে এক লাফে স্টার্টিং পজিশনে ফিরে আসুন। তিনটি সেটে ব্যায়ামটি করুন।

Monday, March 21, 2016

হারিকেন এর আলোতে হাস বা মুরগির বাচ্চা ফুটানোর পদ্ধতি

উৎপাদন-পদ্ধতি: ডিম ফোটানোর জন্য ব্যবহূত হয় স্থানীয়ভাবে ‘সিলিন্ডার’ নামে পরিচিত বিশেষ পাত্র, ডিম রাখার মাচা এবং উৎপাদিত হাঁসের ছানা রাখার জায়গা। কাঠ, বাঁশ ও টিন দিয়ে ওই বিশেষ পাত্র ও মাচা তৈরি করা হয়। এ ছাড়া প্রয়োজন হয় তুষ, হারিকেন, লেপ, রঙিন কাপড়সহ আনুষঙ্গিক কিছু উপকরণ। ডিম সংগ্রহের পর জীবাণুনাশক দিয়ে সেগুলো ধুয়ে বাছাই করে রোদে শুকানো হয়। এরপর ডিমগুলো রঙিন কাপড়ের থলেতে নির্দিষ্ট পরিমাণে ভরে সিলিন্ডারের ভেতরে রাখতে হয়। এক সিলিন্ডারে ডিম ও অন্য সিলিন্ডারে হারিকেন রেখে প্রতি তিন ঘণ্টা পর পর তাপ এবং তাপবিহীন অবস্থায় লেপ দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। পর্যায়ক্রমে এই প্রক্রিয়া ১৭ দিন ধরে চলে। এরপর ডিমগুলো মাচার ওপর সাজিয়ে হালকা কাপড়ে ঢেকে ১১ দিন রাখা হয়। ১২ দিনের মাথায় একের পর এক ডিম ফুটে হাঁসের ছানা বেরোতে থাকে। এভাবে ডিম ফোটাতে ২৮ দিন লাগে। দামিহাসহ তিন গ্রামে তুষ-হারিকেন পদ্ধতিতে বাচ্চা ফোটানোর মোট ৩০টি হ্যাচারি গড়ে উঠেছে। প্রতিটি হ্যাচারিতে এই পদ্ধতিতে প্রতি মাসে পর্যায়ক্রমে চারবার ডিম ফোটানো যায়। নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত প্রায় সোয়া দুই মাস ছানা উৎপাদন বন্ধ থাকে। এ ছাড়া বছরের বাকি সময় ডিম ফোটানোর কাজ অব্যাহত থাকে এখানে। জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চার মাস ডিম ফোটানোর জন্য উৎকৃষ্ট সময়। ৩০টি হ্যাচারি থেকে প্রতি সপ্তাহে গড়ে সোয়া দুই লাখ বাচ্চা উৎপাদন করা হয়। বাচ্চা ফোটানোর জন্য হাঁসের ডিম সংগ্রহ করা হয় খালিয়াজুরি, ইটনা, মিঠামইন, মদন, করিমগঞ্জ উপজেলাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে। এ জন্য ডিম উৎপাদনকারী খামারিদের অগ্রিম দাদন দিয়ে চুক্তি করে নিতে হয়। খরচ ও লাভ: এই প্রক্রিয়ায় প্রতি ১০০ ছানা উৎপাদনে এক হাজার ৩০০ টাকা থেকে এক হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। প্রতি ১০০ ছানা বিক্রি হয় এক হাজার ৭০০ থেকে এক হাজার ৮০০ টাকায়। এভাবে প্রতিটি বাচ্চা উৎপাদনে গড়ে লাভ হয় তিন-চার টাকা। সময়ভেদে এ লাভের পরিমাণ কমবেশি হয়। এক দিন বয়সী হাঁসের ছানাগুলো পাইকারেরা কিনে নেন। এরপর সেগুলো সিলেট, সুনামগঞ্জ, সাতক্ষীরা, যশোর, নেত্রকোনা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর, গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি হয়। তাপমাত্রার ওঠানামা হলে মাঝেমধ্যে সব ডিম নষ্ট হয়ে যায়। তাই এই ঝুঁকি এড়াতে সব সময় সতর্ক থাকতে হয় হ্যাচারির শ্রমিকদের। স্থানীয়দের কথা: তুষ-হারিকেন পদ্ধতি ব্যবহার করছেন দামিহা গ্রামের সোহাগ মিয়া, রাহেলা গ্রামের নজরুল ইসলাম, একই গ্রামের অসিম মিয়া ও কাছিলাহাটি গ্রামের কাজল মিয়া। এলাকায় এই পদ্ধতির প্রচলন করায় তাঁরা আবুল হোসেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দামিহা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত দুই শিক্ষক হিতাংশু চৌধুরী ও মো. আবুল হাসেম ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, তুষ-হারিকেন পদ্ধতিতে বাচ্চা ফোটানোর ফলে এলাকার পরিচিতি যেমন বেড়েছে, বিপুল মানুষের কর্মসংস্থানও হয়েছে। তাঁরা বলেন, তুষ-হারিকেন পদ্ধতি চালু হওয়ার আগে দামিহা এলাকায় কোনো হ্যাচারিশিল্প ছিল না। বর্তমানে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িতদের বেশির ভাগই আগে বেকার ছিলেন। একই গ্রামের বাসিন্দা ভাস্কর্যশিল্পী সুষেন আচার্য বলেন, তুষ-হারিকেন পদ্ধতিতে হাঁসের ছানা উৎপাদন একটি শিল্প। সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা দেওয়া হলে ক্ষুদ্র এই শিল্পের পরিসর আরও বাড়বে। সুদৃষ্টি কামনা: স্থানীয় হ্যাচারিগুলোর প্রতি প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের উদাসীনতার অভিযোগ রয়েছে। সরকারি ঋণসুবিধা না থাকায় তাঁরা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) ঋণ নিয়ে হ্যাচারি চালাতে বাধ্য হচ্ছেন। এরই মধ্যে ২০১০ সালে গঠিত হয়েছে ‘দামিহা ইউনিয়ন হ্যাচারি মালিক সমিতি’। আবুল হোসেন এই সমিতির সভাপতি। প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপকালে আবুল হোসেন বললেন, সহজ শর্তে স্থানীয় ব্যাংক থেকে ঋণ দেওয়া হলে এ শিল্প আরও এগিয়ে যাবে। আর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. ছাইফুল ইসলাম বললেন, সরকারি-বেসরকারি সহায়তা পেলে এখানকার হ্যাচারিশিল্প আরও সমৃদ্ধ হয়ে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখবে। সূত্র: প্রথম আলো

বাছাই করা সেরা ২০ টি নাম অর্থ সহ



১। উলফাত = স্নেহ ২। উমাইর = বুদ্ধিমান ৩। উমাইদ = আশা ৪। সাহিম = সংগী ৫। আফিয়া = সু-সাস্থবান ৬। আরশ = ছাদ ৭। আইদিন = নিরাপদ ৮। আরিবা = শুবেচ্ছা ৯। আযিন = সুন্দর ১০। আলেম = বিজ্ঞানী ১১। তাহছিন = সজ্জা ১২। তামাদুর = উজ্জ্বল ১৩। বুশরা = সু-খবর ১৪। বাহিযা = খুশি ১৫। ওয়াছিফা = সভ্য ১৬। যারার = দ্রুত ১৭। ফাওজা = বিজয় ১৮। ফাতিন = সুন্দর ১৯। ইলতিমাস = আবদার ২০। ইসরার = গোপন