Sunday, March 20, 2016

শরীরের দুর্গন্ধ কমানোর কয়েকটি সহজ উপায়

গায়ে দুর্গন্ধ। চেনা পরিচিত অপরিচিত সকলের কাছেই লজ্জায় ছোট হয়ে যেতে হয় যদি আপনার গা থেকে দুর্গন্ধ বেরোয়। আর এই সমস্যা বেশিরভাগ মানুষের কাছেই একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কীভাবে শরীরের দুর্গন্ধ দূর করবেন তার কিছু উপায় দেওয়া হল। সারাদিন রোদে গরমে থাকলে শরীর ঘেমে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর কারণেই শরীরের দুর্গন্ধ দেখা দিতে পারে। তবে এর আরও অনেক কারণ রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে এটা জেনেটিকও। তবে ঘামের ফলে যে দুর্গন্ধ দেখা দেয় তা কমানোর উপায় রয়েছে। ১) রোজ ভালো করে স্নান করা প্রয়োজন। শুধু তাই নয়, শরীরের বেশ কিছু অংশে যেখানে ঘাম জমে কিন্তু শুকোতে পারে না, সেই সমস্ত স্থান রোজ ভালো করে পরিষ্কার রাখতে হবে। ২) স্নানের জন্য শুধু সাবানই যথেষ্ট নয়। ব্যবহার করতে হবে এমন কোনও অ্যান্টিসেপটিক লিকুইড, যা আপনার শরীরের দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করবে। ৩) খাবারের নিয়মের জন্যেও শরীরের দুর্গন্ধ দেখা দিতে পারে। তাই এমন খাবার খেতে হবে, যা থেকে শরীরে দুর্গন্ধ না হয়। ৪) ঘাম থেকে ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হয়। আর সেই ব্যাকটেরিয়ার ফলেই শরীরে দুর্গন্ধ দেখা দেয়। তাই যে যে স্থানে ঘাম জমে সেই স্থানগুলি শুকনো রাখতে হবে। ৫) অনেকেরই ধারনা আছে যে ডিওড্রেন্ট মাখলেই ঘাম কম হয়। কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। ডিওড্রেন্ট ঘাম কমাতে সাহায্য করে না। তবে শরীরের দুর্গন্ধ ঢাকতে সাহায্য করে। ৬) সারাদিনে অন্তত ২ বার স্নান করা দরকার। ৭) সুতির পোশাক পরলে ঘাম জমতে পারে না। ৮) সারাদিনে প্রচুর পরিমানে জল খেতে হবে। ৯) আন্ডার আর্ম সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে। ১০) তেল মশলা জাতীয় খাবার কম খেতে হবে।

গর্ভধারণের পূর্ব প্রস্তুতির ১০ অত্যাবশ্যকীয় কাজ

আপনি নিশ্চয় যেকোন কাজ করার আগে দশবার ভেবে দেখেন। কোনটা ভালো? কেমন? কাজটা ঠিক হবে কিনা। এমন হওয়া আর করাটাই স্বাভাবিক এবং সঠিক। কিন্তু যখন কথা আসে আপনার জীবনের অন্যতম বড় সিদ্ধান্ত নেয়ার তখন কেন কোণ প্রস্তুতি নেই?


আমাদের দেশে সন্তান নেয়ার আগে প্রস্তুতি গ্রহণের বলতে গেলে কোন নিয়ম নেই। যার কারণে বেশিরভাগ নারীরই সমস্যা হয়ে থাকে গর্ভধারণ করতে বা গর্ভ ধারণ করলেও অসুস্থ শিশুর জন্ম হয়। গর্ভধারণ কাল ও ডেলিভারি পর্যন্ত এবং একজন সুস্থ শিশুকে জন্ম দেয়া পর্যন্ত কিছু কাজ আপনাকে করতেই হবে। এছাড়াও নিজের মনে মনে সন্তানের জন্য প্রস্তুতি নিন। সন্তানের জন্য সঞ্চয় শুরু করুন, মনে মনে সন্তানের কল্পনা করুন। এগুলো আপনার মনকে প্রফুল্ল রাখবে। সন্তান গ্রহনের চেষ্টার সময় একটা মিনি হানিমুনও সেরে আসতে পারেন দুজনে। এটাও আপনাদের দাম্পত্য সম্পর্ক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হবে।  

আপনার শরীরকে একটি সন্তানের জন্য প্রস্তুত করে তুলতে, সন্তানকে জন্ম দেয়ার ব্যাপারটিকে অনেক সহজ করে দিতে এবং আপনার শিশুটি যেন সুস্থ সবল ভাবেই পৃথিবীতে আসে সেটি নিশ্চিত করতে আপপ্নার ১০ টি কাজ করতে হবে।
আসুন জেনে নেই গর্ভধারণ প্রস্তুতির আগের ১০ টি কাজ কি কি –
১। আপনার ওজন যতই হোক দিনে অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করার অভ্যাস করে তুলুন। এই অভ্যাস আপনার শরীরকে ঝরঝরে ও সুস্থ সবল রাখবে, আপনি থাকবেন নীরোগ, সন্তান ধারণ ও ডেলিভারিকে অনেকটাই সহজ করে দেবে।
২। খাদ্যাভ্যাসকে একেবারে শুধরে ফেলে সঠিক খাদ্যাভ্যাস করুন যা আপনার উর্বরতা বাড়াতে সাহায্য করবে। ভাজা পোড়া ও অতিরিক্ত লবণ, রঙ, ফ্লেভার যুক্ত খাবার বাদ দিয়ে প্রচুর সবজি ও ফল খাবার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এখন আপনার প্রচুর প্রোটিন, ক্যালসিয়াম , মিনারেল, ফলিক এসিড ইত্যাদি প্রয়োজন।
৩। গর্ভধারণ করতে চাইলে আপনার দিনে ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ফলিক এসিড গ্রহণ করা প্রয়োজন। ফলিক এসিড নিয়মিত গ্রহণ করুন। এই ভিটামিনটি শিশুর অনেকগুলো জন্মগত ত্রুটি প্রতিরোধ করে থাকে। সবুজ শাক পাতা, টক জাতীয় ফলে প্রচুর ফলিক এসিড পাওয়া যায়।
তবে বেশিরভাগ নারীর ক্ষেত্রেই ট্যাবলেট খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। ডাক্তারের পরামর্শে মাল্টি ভিটামিন গ্রন করতে পারেন।
৪। ওজনের দিকে লক্ষ করুন। বেশী রোগা হলে বা বেশি মোটা হলে গর্ভধারণ করতে মারাত্মক সমস্যা হতে পারে। ওজন সঠিক হলে গর্ভ ধারণের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে। সাথে বাড়বে সহজে ডেলিভারি হবার সুযোগ। তাই নিজেকে সুন্দর একটি আকৃতি ও ভার দিন।
৫। আপনার কোন শারীরিক সমস্যা থাকলে চিকিৎসা করান, কারণ বাচ্চা পেটে আসার পর অনেক ধরণের ওষুধই আপনি আর গ্রহণ করতে পারবেন না। অন্যদিকে গর্ভধারণের পূর্বে আপনাকে কোন ভ্যাক্সিন নিতে হবে কিনা বা আরও কিছু করতে হবে কিনা সেটাও ডাক্তারের কাছ থেকে জেনে নিন।
৬। দাঁতে কোন রকম সমস্যা থাকলে কনসিভ করার আগেই চিকিৎসা করিয়ে ফেলুন। কারণ গর্ভাবস্থায় দাঁতের চিকিৎসা করানো যায় না।
৭। মাছ মাংস খাওয়ার ব্যাপারে প্রচণ্ড সতর্ক থাকুন। খেয়াল রাখুন আপনার খাওয়া মাছ বা মাংস যেন খুব ভালো করে রান্না করা হয়। একই সাথে যেসব বড় মাছ অন্য ছোট মাছকে খায়, সেগুলো খাওয়া হতে বিরত থাকুন। কারণ এগুলোতে উচ্চ মাত্রায় মারকারি থাকতে পাড়ে, যা বাচ্চার জন্য ক্ষতিকর।
তৃণভোজী ছোট মাছ খাবেন। আর ইয়া, টুনা ফিস জাতীয় মাচ খাবেন না একেবারেই!
৮। সন্তান গ্রহণ কুরতে চাইলে কনসিভ করার আগে ও পরে চা-কফি ও কোমল পানীয় পান করা ছেড়ে দিন বা একেবারেই কমিয়ে ফেলুন। আপনি ১২ আউন্সের এক কাপ কফি বা ৮ আউন্সের এক কাপ চা গ্রহণ করতে পারবেন দৈনিক, এর বেশি নয়। সম্ভব হলে ক্যাফেইন বিহীন চা কফি পান করুন বা দুধ সহযোগে পান করুন। লাল চা বা কালো কফি এই অবস্থায় ভালো নয়।
৯। ধূমপান ত্যাগ করুন অতি অবশ্যই।
১০। কোন প্রকার মাদক ও মদ্যপানের অভ্যাস থাকলে ত্যাগ করুন।

ব্রণের কালো দাগ দূর করবেন যেভাবে

নারী-পুরুষ সবাইকেই কমবেশি ব্রণের সমস্যায় পড়তে হয়। সাধারণত ত্বকের তৈলগ্রন্থি বা ওয়েল গ্ল্যান্ড ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে সংক্রমিত হলে ব্রণ হয়।
তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা হয় তখন, যখন ব্রণ চলে গেলেও এর দাগ থেকে যায়। সুন্দর মুখখানি দেখতে তখন কুশ্রী হয়ে যায়। যা হোক প্রাকৃতিক উপায়ে এ দাগ দূর করা যায় সহজেই। টাইমস অব ইন্ডিয়া থেকে তেমন কিছু ঘরোয়া উপায় দেওয়া হলো—
-লেবুর রস প্রাকৃতিক ব্লিচিংয়ের কাজ করে। কাজেই ব্রণের দাগ দূর করতে প্রতিদিন এটি ব্যবহার করতে পারেন। তবে বাইরের সূর্যের আলো থেকে এসেই এটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
-দাগ দূর করার অপর একটি কার্যকরী উপাদান হচ্ছে মধু। কাজেই প্রতি রাতে এটি মুখে লাগান এবং সকালে কুসুম কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যদি ত্বকে ক্ষত থাকে তবে এটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ, নয়তো এটি ত্বকে জ্বালার সৃষ্টি করবে।
-অ্যালোভেরা জেল শুধু ক্ষত আরোগ্য লাভে ব্যবহার করা হয় না, এটি ক্ষত হয়ে যাওয়া টিস্যুর দ্রুত পুনর্নির্মাণেও সাহায্য করে। এটি প্রতিদিন দু’বার ব্যবহার করুন এবং হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

Tuesday, March 8, 2016

চোখের সুস্থতায় ৬টি অসাধারণ খাবার

আপনার চোখের বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারবে। এমনি ৬টি পুষ্টি কর খাবার সম্পর্কে জেনে নিন।

পালংশাক

আপনার দৃষ্টি শক্তি উন্নত করতে হলে প্রতিদিন পালংশাক এর সাথে সবুজ শাক-সবজি খেতে হবে। যেমন- পাতা কপি, শালগম, সরিষা পাতা, বরবটি, পেঁপে ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। সবুজ শাকে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ, লুটেইন এবং ম্যাঙ্গানিজ থাকে যা চোখের জন্য অনেক উপকারী।
পালংশাকে প্রচুর ভিটামিন এ রয়েছে যা চোখের কর্নিয়া রক্ষা করে, লুটেইন সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি থেকে চোখকে রক্ষা করে এবং ম্যাঙ্গানিজ চোখের দৃষ্টি উন্নয়নে সাহায্য করে। বেশি উপকারিতা পেতে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস পালংশাকের জুস খাওয়া উচিত। এছাড়া শাক বিভিন্ন সালাদ অথবা রান্না করেও খাওয়া যেতে পারে।

রুই মাছ

নিয়মিত রুই মাছ খেলে তা আপনার চোখের রেটিনাকে রক্ষা করে এবং চোখের অন্ধত্ব প্রতিরোধে সাহায্য করে। রুই মাছে ওমেগা- ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড দ্বারা সমৃদ্ধ যা চোখের শুষ্কতা প্রতিরোধে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা সপ্তাহে অন্তত দুই দিন রুই মাছ খাওয়ার পরামর্শ দেন। রুই মাছে বিভিন্ন ভাবে স্যুপ অথবা প্রধান ডিশ হিসেবেও খাওয়া যেতে পারে। চোখের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে অন্যান্য ঠাণ্ডা জলের মাছ হেরিং, ম্যাকরল, সারডিন এবং টুনা সাহায্য করে।

গাজর

গাজরে প্রচুর পরিমানে বিটা-ক্যারোটিন থাকে যা ভিটামিন এ কে ধারন করে। ভিটামিন এ রাতকানা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে, একটি সুস্থ ও পরিষ্কার কর্নিয়া বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং আপনার চোখ এবং আপনার শরীর জুড়ে কোষ রক্ষার্থে সাহায্য করে। গাজরে লুটেইন থাকে যা রেটিনার কাছে হলুদ ডিম্বাকৃতির মেষকে প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়া গাজরে ফাইবার এবং পটাসিয়ামও থাকে। আপনি গাজরকে স্ন্যাক হিসেবেও খেতে পারেন অথবা সুপ, সালদে বা সাইড ডিশ হিসেবেও খেতে পারেন।

মিষ্টি আলু

মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ থাকে যা চোখের প্রয়োজনীয় পুষ্টি ধারন করে। ভিটামিন এ চোখের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে এবং চোখের ছানি ও গ্লুকৌমা প্রতিরোধে সাহায্য করে। ভিটামিন এ শুষ্ক চোখের সমস্যা সমাধান করে এবং ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস উভয় থেকে চোখকে রক্ষা করে। মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমানে বিটা-ক্যারোটিন, পটাসিয়াম ও ফাইবার উপস্থিত থাকে। মিষ্টি আলু ৪০০ রকম বৈচিত্রে সারা বছর আসে এবং তা সিদ্ধ করে, ভেজে অথবা রান্না করে খাওয়া যায়।

মরিচ

আপনার চোখের সামগ্রিক স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য আপনি নিয়মিত সবুজ, লাল, হলুদ, কমলা, বাদামি এবং কালোসহ বিভিন্ন রকম মরিচ খেতে পারেন। মরিচে সবচেয়ে বেশি পরিমানে ভিটামিন এ এবং সি থাকে। ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি সংরক্ষনে সহায়তা করে সাথে ভিটামিন সি চোখের ছানি প্রতিরোধে সাহায্য করে।
একই সময়ে মরিচে ভিটামিন বি-৬, লুটেইন, ম্যাঙ্গানিজ, বিটা-ক্যারোটিন এবং লাইসোপিনি থাকে। এই সব পুষ্টি চোখের সার্বিক স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য। আপনার খাদ্যে মরিচ বিভিন্নভাবে ব্যাবহার করতে পারেন। এছাড়াও আপনি সালাদে মরিচ ব্যাবহার করতে পারেন।

আখরোট

আখরোটে বেশি পরিমানে ওমেগা- ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা চোখের সার্বিক স্বাস্থ্য রক্ষার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও আখরোটে অ্যান্টিঅক্সিডেনট সমূহ, জিংক ও ভিটামিন ই আছে যা প্রদাহ এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য সংরক্ষনে সহায়তা করে। দৈনিক মুঠোভরে আখরোট খেলে চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি এবং বিভিন্ন দৃষ্টি সমস্যার হাত থেকে চোখকে রক্ষা করে।

Monday, March 7, 2016

পুরুষের ত্বকের জন্য যা যা ক্ষতিকর


ঢাকা: আজকের ব্যস্ত পুরুষ নিজের ত্বকের প্রতি উদাসীন। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নিজের অজান্তেই ক্ষতি করেন ত্বকের। নারীদের তুলনায় পুরুষরা ত্বকের ব্যাপারে কম সচেতন। আর এ জন্যেই নারীদের আগেই তারা বুড়িয়ে যান। 
অনেকে আবার মনে করেন রূপচর্চা একটা মেয়েলি ব্যাপার। তবে নিয়ম মেনে রূপচর্চা না হোক, ত্বকের জন্যে ক্ষতিকর জিনিসগুলো এড়িয়ে চললেই আপনার ত্বক থাকবে অনেকটা সুস্থ। তাই জেনে নিন কোন জিনিসগুলো পুরুষের ত্বকের জন্যে ক্ষতিকর-
রোদ
রোদ পুরুষের ত্বকের জন্যে খুবই ক্ষতিকর। রোদে বের হওয়ার আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার না করলে আপনার ত্বকে ক্যানসারও হতে পারে। ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করাটাও অনেক কষ্টের। 
সুইমিং পুল
সুইমিং পুলের পানিতে থাকে ক্লোরিন, যা ত্বকের জন্যে ক্ষতিকর। তাই বাড়িতে এসে ভালোভাবে ত্বক পরিষ্কার করা উচিৎ।
মানসিক চাপ
মানসিক চাপ আপনার ত্বকের জন্যে সবচেয়ে ক্ষতিকর। তাই যতোটা সম্ভব মানসিক চাপ মুক্ত থাকুন। ঘুমানোর আগে সব চাপ ভুলে হালকা হয়ে ঘুমাতে যান। 
ধোঁয়া
যানবাহনের ধোঁয়া এবং দূষণের ফলে ত্বকে দ্রুত বয়সের ছাপ পড়ে। তাই ঘরে ফিরে ক্লিনজার এবং ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে ভুলবেন না। 
ধূমপান
ধূমপান ত্বকের জন্যে ক্ষতিকর। এটা ত্বকে বিভিন্ন জটিল সমস্যা তৈরি করে। তাই ধূমপান ছাড়ুন।
সাবান
আপনার ত্বকের নমনীয়তা কেড়ে নেয় সাবান। অতিমাত্রায় সাবানের ব্যবহার ত্বকে ক্যানসারের কারণ হতে পারে। তাই সাবানের পরিবর্তে কম ক্ষারযুক্ত বেবি সাবান ব্যবহার করতে পারেন। অথবা সাবান ব্যবহার পুরোপুরি ছেড়ে দিন।

Friday, March 4, 2016

মুসলিম নামের পিডিএফ বই, Bangla baby names pdf book with meaning

আমাদের নামের সাইট ইসলামিক নাম বা অর্থ জানতে চলে আসুন , এখানে ক্লিক করুন www.islamnames.info

নির্বাচিত সেরা নাম গুলোর পিডিএফ বই ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন!

গর্ভাবস্থায় যেসব খাবার খেলে বাচ্চার গায়ের রঙ ফর্সা (উজ্জ্বল) হয়

বিশেষজ্ঞদের মতে খাদ্য নির্বাচনের উপর সন্তানের শরীরের বর্ণ কেমন হবে তা নির্ভর করে না, এটা নির্ভর করে তাঁর বাবা-মা এর কাছ থেকে যে জিন পেয়েছে তার উপর। তবে প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী গর্ভবতী অবস্থায় যে খাবার গুলো খেলে বাচ্চার বর্ণ ফর্সা হতে পারে , এমন কিছু খাবারের তালিকা পরিবারের বয়োবৃদ্ধরা দিয়ে থাকেন। সেগুলো জেনে নিই আসুন। ১। জাফরান দুধ অনেক মহিলা গর্ভবতী অবস্থায় জাফরান দেয়া দুধ পান করে থাকেন। মনে করা হয় জাফরান গর্ভের শিশুর গায়ের রঙ ফর্সা করে। ২। নারিকেল প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী নারিকেলের সাদা শাঁস গর্ভের শিশুর বর্ণ ফর্সা করে। তবে গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত নারিকেল খাওয়া মোটেই স্বাস্থ্য সম্মত নয়। খেতে পারেন, তবে পরিমিত। ৩। দুধ গর্ভবতী মহিলাদের দুধ পান করা অত্যাবশ্যকীয়। দুধ শিশুর শরীর গঠনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। প্রচলিত ধারণা মোটে দুধও ত্বকের রঙ ফর্সা করতে সহায়ক। ৪। ডিম প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী বিশ্বাস করা হয় যে, যদি ফর্সা বাচ্চা চান তাহলে গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় তিনমাসে ডিমের সাদা অংশ গ্রহণ করা উচিৎ।তবে সত্য এই যে গর্ভাবস্থায় নিয়মিত গোটা ডিম খাওয়া মায়ের জন্য খুব জরুরী। ডিমের অধিকাংশ পুষ্টি গুণ এর ক্সুমের মাঝেই থাকে। তাই কুসুম খাওয়া বাদ দেয়া চলবে না। ৫। চেরি ও বেরি জাতীয় ফল চেরি ও বেরি জাতীয় ফলে উচ্চমাত্রার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে এবং ত্বকের ক্ষতি রোধ করে। তাই স্ট্রবেরি, ব্ল্যাক বেরি, ব্লু বেরি ইত্যাদি ফল খাওয়া হয় সুন্দর ত্বকের জন্য। ৬। টমেটো টমেটোতে লাইকোপেন থাকে যা ক্ষতিকর আল্ট্রা ভায়োলেট রে এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে সূর্যের আলোর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করে। বিশ্বাস করা হয় যে, গর্ভাবস্থায় টমেটো খেলে বাচ্চার বর্ণ ফর্সা হয়। ৭। কমলা কমলা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ তাই শিশুর শরীর গঠনের জন্য অপরিহার্য। গর্ভাবস্থায় কমলা খেলে শিশুর ত্বক ভালো হবে। শুধুমাত্র ত্বকের সৌন্দর্যই কোন মানুষের একান্ত আকাঙ্ক্ষিত বিষয় হতে পারে না। তাই গর্ভবতী মায়েদের উচিত একটি সুস্থ্, মেধাবী ও স্বাভাবিক শিশুর জন্মের জন্য চেষ্টা করা। এজন্য পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের পাশাপাশি নিজের জীবনাচরণের ইতিবাচক পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। অ্যালকোহল গ্রহণের অভ্যাস থাকলে বর্জন করা উচিত। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন, খুব বেশি ওজন হলে প্রি ম্যাচিউর বেবির জন্ম হয় যা বাচ্চার আইকিউ এর উপর প্রভাব ফেলে। নিয়মিত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন। এতে বাচ্চার ব্রেইন এর গঠন ও অন্যান্য অঙ্গের গঠনে সহায়তা করে। বিজ্ঞানীদের মতে গর্ভের শিশু শুনতে পায় এবং সেই অনুযায়ী সাড়া দেয়। গ গর্ভের শিশুর সাথে কথাবলুন,এবং ধর্মীয় বই ও বিখ্যাত মনীষীদের জীবনী পড়ুন।কিছু গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, গর্ভে থাকতে শিশু যে কণ্ঠস্বর শুনেছে জন্মের পর সেই কণ্ঠস্বর শুনলে শিশু শান্ত হয়।